যমুনা সেতু কত কিলোমিটার

সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে নির্মিত হচ্ছে ডাবল লেনের ৪.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের রেল সেতু। পদ্মা সেতুর যত প্রথম, কত মাত্রার ভূমিকম্পে টিকে থাকবে সেতুটি প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭:৫৭ Question 01. Suzuki Gixxer 155 Dual Disc ৯,০০০ কিলোমিটার রাইড – তারেক মাহমুদ; Bajaj Pulsar NS160 Dual Disc ৩০০০ কিলোমিটার রাইড – সিজান আনোয়ার শুভ Bartabazar - Latest online news from Bangladesh and World, আমার এক অতিপ্রিয় প্রতিরোধ যোদ্ধা জগলুল পাশা সেদিন ইহলোক ত্যাগ করেছে। রাজা দীপঙ্কর, শাহ আজিজ, হাশমী মাসুদ জামিল যুগল, সুলতান মনসুর, নাসিম ওসমান, মঞ্জু, বাবুল হক, আবদুল হালিম, কবির বেগ, দেলোয়ার, শরীফ, মাহবুব, গৌর, বৌদ্ধ, গোপাল, শ্রীমঙ্গলের মান্নান, তরুণ, দুলাল, ডা. সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে নির্মিত হচ্ছে ডাবল লেনের ৪.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের রেল সেতু। জাপান ও … পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক মোঃ. পদ্মা-যমুনার ওপর দেশের উন্নয়নে আমাদের আরও সেতুর প্রয়োজন হবে।, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ‘পদ্মা সেতু’ দৃশ্যমান ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন উদ্বোধন করা হয় যমুনা নদীর ওপর নির্মিত দেশের সবচেয়ে বড় ও উপমহাদেশের অন্যতম প্রায় পাঁচ কিলোমিটার … এই সেতু দিয়ে ১০০ কিলোমিটার বেগে একই সঙ্গে দুটি ট্রেন চলাচল করতে পারবে। পাশাপাশি সব ধরনের মালবাহী ট্রেন চলাচল করতে পারবে। BDLive24 is the Leading online BanglaNews portal in Bangladesh which covering latest and update news of politics, business, economics, sports, entertainment, fashion, lifestyle, science, technology and many more উত্তর: ১২ কি.মি বা ১২০০ মিটার। আবার যখন ট্রেন যায় পাঁচটি ট্রাকের সমান লোড ট্রেনের প্রতিটি বগির, তার ২০-২৫টি বগি একসঙ্গে যায়। তখন সেতু ভেঙে পড়ে না। রেলে তেলের ট্যাংকার, প্রতিটি ৫০ টন তেল বহন করে। ট্যাংকারের ওজনও ১৫-২০ টন। এর অন্তত ২০-২৫-৩০টি ট্যাংকার একসঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়, ভেঙে পড়ে না। ভেঙে পড়ে যদি ট্রাকে ১০ টনের জায়গায় ১১ টন থাকে তাহলে। দিনরাত জিনিসপত্র নামাতে-ওঠাতে গিয়ে পেরেশানির শেষ নেই। মালপত্র হারিয়ে যায়। ভুক্তভোগীরা রাতদিন চিৎকার করে, কোনো প্রতিকার নেই।, এবার আসি রেলসেতু বিষয়ে। যমুনায় বঙ্গবন্ধু সেতুর ৫০০- ৬০০ গজ উজানে ৩০ নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রেলসেতুর কাজ উদ্বোধন করেছেন। শুনলাম ১০০-১৫০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলতে পারবে- এটা খুবই আনন্দের কথা। বর্তমানে বুলেট ট্রেনের আমলে শত মাইল গতি কোনো গতিই না। এখন বুলেট ট্রেন ৬০০-৭০০ কিলোমিটার গতিতে চলে। আকাশে বিমানের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। অনেক বিমান ৪০০-৪৫০ কিলোমিটার বেগে চলে। সাধারণত বড় বড় প্লেনগুলো ৮০০ কিলোমিটারের বেশি গতি নেয় না, সেখানে ট্রেনের গতি ৬০০-৭০০ কিলোমিটার অবিশ্বাস্য, অভাবনীয়। তাই যে সেতুর ওপর দিয়ে এ রকম দ্রুতগতির ট্রেন চলবে তার কম্পন সইবার ক্ষমতা থাকবে অনেক বেশি। আমাদের স্বপ্নের পদ্মা সেতু শেষ হওয়ার পথে। বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগে মুখ ফিরিয়ে ছিল। বঙ্গবন্ধুকন্যা নেত্রী শেখ হাসিনা সাহস করে নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণের পদক্ষেপ নেন। এখন বিশ্বব্যাংক আমাদের টাকা দিতে দরজা খুলে দাঁড়িয়ে আছে। তাই যমুনা রেলসেতু একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেই বলি কারণ তাঁকে ছাড়া অন্য কারও কিছু করার নেই। বঙ্গবন্ধু সেতুর পেটের ভিতর দিয়ে যেমন আরেকটি পথ করা যেত সেটা সড়কপথই হোক আর রেলপথ। শুধু কিছু ভেনটিলেশনের ব্যবস্থা করলেই হতো। ঠিক তেমনি যমুনা রেলসেতুতে নিচ দিয়ে ট্রেন চলবে। ওপর ফাঁকা পরিত্যক্ত, কোনো কাজে লাগবে না। একই রকম স্ট্রাকচার পদ্মায়- ওপর দিয়ে গাড়ি-ঘোড়া, নিচ দিয়ে রেল। এখানে শুধু রেল কেন? Bangabandhu Bridge / Jamuna Multipurpose Bridge || বঙ্গবন্ধু সেতু / যমুনা বহুমুখী সেতু - Duration: 2:29. যমুনা বহুমুখী সেতু বা যমুনা সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। ৪.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সেতুটি বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু। ১৯৯৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এটি যমুনা নদীর পূর্ব তীরের ভূঞাপুর(ভুয়াপুর) এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে। এটি বিশ্বে ১১তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ দীর্ঘতম সেতু।[১][২] যমুনা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি নদীর মধ্যে বৃহত্তর এবং প্রবাহিত জল আয়তানিক পরিমাপের দিক থেকে বিশ্বে পঞ্চম বৃহত্তম। সেতুটি বাংলাদেশের পূর্ব এবং পশ্চিম অংশের মধ্যে একটি কৌশলগত সংযোগ প্রতিষ্ঠিত করে। এটি অত্র অঞ্চলের জনগণের জন্য বহুবিধ সুবিধা বয়ে আনে, বিশেষত অভ্যন্তরীন পণ্য এবং যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থা দ্রুত করে।[৩] পরবর্তিতে এই সেতুর নামকরণ করা হয় বঙ্গবন্ধু সেতু। যমুনা সেতু স্থাপনের জন্য প্রথম উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৪৯ সালে। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী প্রথম এ উদ্যোগ নেন। কিন্তু তখন তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। ১৯৯৪ সালের ১৫ অক্টোবর এর কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।, হুন্দাই $৬৯৬ মিলিয়ন ইউ এস ডলারের বিনিময়ে ১৯৯৪ সালে যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মানের কাজ হাতে নেয়; এতে মোট ব্যয়ভারের $২০০ মিলিয়ন ১% নামেমাত্র সুদে IDA, ADB, OECD বহন করে এবং বাকী $৯৬ মিলিয়ন বাংলাদেশ সরকার বহন করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন], ২০০৩ সালে সেতু কর্তৃপক্ষ যমুনা বহুমুখী সেতুটি বুঝে নেয়। চুক্তি মোতাবেক ত্রুটির জন্য পরবর্তী ১০ বছর যমুনা সেতুর ত্রুটির সব ব্যয়ভার হুন্দাইকে বহন করতে হবে বলে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আইন শাখার ২১ আগস্ট ২০০৭ তারিখের পত্রে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে সেতু সংস্কার কাজে চীনের চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি) এবং ২০০৮ সালের মার্চে ফিলিপাইনের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাঞ্জেল লাজারো অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডকে ফাটল মেরামত কাজের টেন্ডার ডকুমেন্ট তৈরি ও মেরামত কাজ তদারকির পরামর্শক হিসাবে নিয়োগ করা হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন], সেতুর মূল পরিকল্পনায় শুধু একমুখী (সিঙ্গেল ট্র্যাকশন, নন ইলেকট্রিক) মিটারগেজ ট্রেন চলার পরিকল্পনা ছিল। তবে পরে ব্রডগেজ লাইন চালুর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সে সময় ব্রডগেজ ও মিটারগেজ সিস্টেমের চারটি ট্রেন দৈনিক মাত্র ৮ বার চলাচল করার কথা ছিল। সেতুর ওপর স্থাপিত ট্রেন লাইনটির ব্রিজের পিলার স্থাপনা থেকে কিছুটা উত্তর দিকে। ২০০৮ সালে সেতুতে ফাটল দেখা দেয়। সেতু বিভাগ এবং দেশের বিশেষজ্ঞগণ ফাটলটিকে হেয়ার ক্র্যাক হিসাবে ধরেছিলেন। ফাটলের জন্য প্রথমে ট্রেন চলাচলকে দায়ী করা হলেও পরে তা মূল নির্মাণ ত্রুটির কারণে (পরিকল্পনা বাস্তবায়ন) সেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এর কিছু দিন পরেই সেতুর ফাটল উত্তর লেন থেকে দক্ষিণ লেনেও ছড়িয়ে পড়ে। ব্রিজের মূল ভিত্তি থেকে সামান্য বাইরে ট্রেনলাইনের অবস্থান হওয়ায় এ ফাটল দেখা দিতে পারে বলে ধারনা করা হলেও পরিকল্পনাকারীগণ তা অস্বীকার করেছেন। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে দেখা যায় ২০০৮ সালে ফাটলের যে অবস্থা ছিল পরের দুই বছর পর তা অন্তত ৫০ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে যমুনা সেতুতে খুব ধীরগতিতে ট্রেন চালানো ও এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রক দিয়ে যানের ভার ও গতি সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন], ০৮:২৫, ২৩ নভেম্বর ২০২০ তারিখে সর্বশেষ সম্পাদিত, "Jamuna Bridge – A boost for Bangladesh's economy", https://bn.wikipedia.org/w/index.php?title=বঙ্গবন্ধু_সেতু&oldid=4702126, ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের, এ পৃষ্ঠায় শেষ পরিবর্তন হয়েছিল ০৮:২৫টার সময়, ২৩ নভেম্বর ২০২০ তারিখে।. নিউজরুম : 01677-705555, 01854-112244, বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।, © 2020 - Bartabazar.com. পুরো সপ্তাহই ভেবেছি যমুনার রেলসেতু নিয়ে দুই কলম লিখব। যেখানে বঙ্গবন্ধু সেতু তার বড়জোর ১ কিলোমিটার উজানে ১১ … গত দুটি খুশির ঈদের সময় বঙ্গবন্ধু সেতুতে যে যানজট দেখেছি তা বলার মতো নয়। একবার আমি যানজটের সময় টাঙ্গাইল থেকে ঢাকা গিয়েছিলাম। ফেরার পথে মির্জাপুর থেকে উল্টো পথে এসেছিলাম। উল্টো পথে এসেছিলাম বলে বাড়ি ফিরে ইফতার করতে পেরেছিলাম। সকাল ৮টায় যাওয়ার পথে যাদের নাটিয়াপাড়া-জামুর্কীর কাছে দেখে গিয়েছিলাম, সেই তাদের বিকাল সাড়ে ৪টা-৫টায় করটিয়ার কাছে পেয়েছিলাম। ৮টা থেকে সাড়ে ৪টা-৫টা, সাড়ে ৮-৯ ঘণ্টায় তারা ৩-৪ কিলোমিটার এগোতে পেরেছিল। তাই বঙ্গবন্ধু সেতুর মতো আরেকটি সেতু হলে কারও কোনো ক্ষতি হবে না।, বরং দেশের জন্য লাভই হবে। সর্বোপরি কোনো কাজেই যদি না লাগে কোনো জরুরি অবস্থায় শুধু সামরিক বাহিনীর পারাপারের জন্যও যমুনা রেলসেতুর ওপর দিয়ে একই খরচে আরেকটি সড়ক যোগাযোগ হলে হয়তো তখন কাজে লাগবে। তাই প্রস্তাবটি ভেবে দেখবেন।, যমুনা রেলসেতু নির্মাণের সময় বিষয়টি গভীরভাবে ভেবে দেখলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা একটি প্রশংসার কাজ হয়ে থাকবে।, ‘মাদ্রাসাগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত গাইতে হবে’, আ’লীগের আমু ও তার মেয়েকে কটুক্তি: রিমান্ডে দলীয় নেতা, এমপি পাপুলের স্ত্রী এমপি সেলিনা ও মেয়েকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আ.লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, বিএনপি ও হেফাজত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা খারিজ, যোগাযোগের ঠিকানা: ৯৬৫/১-এ (৭ম তলা) পূর্ব শেওড়াপাড়া,কাফরুল,মিরপুর ,ঢাকা -১২১৬, ফোন: 02-58052323 িণ এশিয়ার ৫ম এবং বিশ্বের ৯২তম দীর্ঘ সেতু। ১৯৯৮ সালের জুন মাসে এটি … বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের ৬৫ কিমি থেমে থেমে যানজট জুলাই ৩১, ২০২০ ৫:০২ পিএম শেয়ার বিজ অনলাইন বার্ষিক \(৪\)\({১\over ২}\) সরল সুদে কত টাকা বিনিয়োগ করলে ৪ বছরে তা ৮২৬ টাকা হবে? যমুনা সেতু এর মোট দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিমি। একজন সবল ব্যক্তি হেটে ১কিমি পথ যেতে পারেন ১৫ মিনিটে সাভাবিক ভাবে। তাহলে ৫কিমি যেতে ১ঘন্টা বা তার বেশি লাগতে পারে।। অবস্থান. শরিফুল, লুৎফর, গিয়াস, আসাদ বিন স্বপন, আমানউল্যাহ এমনি আরও শত যোদ্ধার প্রতিরোধে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ দুর্গ গড়ে উঠেছিল। তাদের মধ্যে নিষ্ঠাবান এক বীর চলে গেল। জগলুল পাশার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার পরিবার-পরিজনকে যেন আল্লাহ এ শোক সইবার শক্তি দেন।, আজ বিজয়ের মাসের আট দিন। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা ছিলাম জামালপুরের পথে দিগপাইতে। মিত্রবাহিনী ব্রহ্মপুত্র পার হতে পারছিল না। তারা চরম বাধা পাচ্ছিল জামালপুরের কামালপুরে। বেশ কয়েকদিন প্রচন্ড গোলাবর্ষণের পরও কামালপুর ঘাঁটির পতন না হওয়ায় কামালপুরকে পাশ কাটিয়ে মিত্রবাহিনী শেরপুর ব্রহ্মপুত্র পর্যন্ত এসে গিয়েছিল। কিন্তু জামালপুরের পাড়ে আসতে পারছিল না। মিত্রবাহিনী জামালপুরে হাজার পাউন্ডের বোমা ফেলায় অনেক বাঙ্কার ধসে গিয়েছিল। তবু হানাদাররা হাত তোলেনি বা গুটিয়ে যায়নি। তাই আমাদের দক্ষিণ দিক থেকে জামালপুর চেপে ধরার অনুরোধ জানিয়েছিল। অনুরোধটিতে কোনো গোপনীয়তা ছিল না। সরাসরি ওয়্যারলেসে আমাদের জামালপুর চেপে ধরার অনুরোধ করা হয়। প্রায় ১ হাজার মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে আমি ধনবাড়ীর দিগপাইত পর্যন্ত গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে মনে হয় আমরা জামালপুর গেলে টাঙ্গাইল পেছনে পড়ে থাকবে। পায়ে হেঁটে মিত্রবাহিনীর সঙ্গে এঁটে উঠব না। তাই রাতের মধ্যেই গোপালপুর ফিরে এসে ঘাটাইল-কালিহাতী থানা দখলের পরিকল্পনা করি। সে পরিকল্পনামতই ১০ ডিসেম্বর নিরাপদে ছত্রীবাহিনী নামতে পেরেছিল। ১১ তারিখ টাঙ্গাইল হানাদারমুক্ত এবং ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন- এ এক ঐতিহাসিক ঘটনা। বাঙালি জাতি কখনো এমন নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেনি।, পুরো সপ্তাহই ভেবেছি যমুনার রেলসেতু নিয়ে দুই কলম লিখব। যেখানে বঙ্গবন্ধু সেতু তার বড়জোর ১ কিলোমিটার উজানে ১১ আগস্ট, ১৯৭১ হানাদার বাহিনীর বিশাল দুই জাহাজ ধ্বংস করেছিলাম। অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার করেছিলাম বেশুমার। যে অস্ত্রশস্ত্র পরে আমাদের কাজে লেগেছিল। বাঙালি মাছের তেলে মাছ ভাজে, আমরা হানাদার পাকিস্তানিদের অস্ত্র গোলাবারুদ তাদের ওপরই ব্যবহার করেছি। হানাদারদের জাহাজ দখলের পর আমাদের আর অস্ত্রের কোনো অভাব ছিল না। আরও দু-এক বছর যুদ্ধ চললে অস্ত্র গোলাবারুদের টান পড়ত না। তাই সেই মাটিকাটা জাহাজমারা ঘাটের এক-দেড় কিলোমিটার ভাটিতে বঙ্গবন্ধু সেতু হওয়ায় আমরা খুবই খুশি। বর্তমানে যেখানে বঙ্গবন্ধু সেতু, এ সেতুর কথা একসময় হুজুর মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ভেবেছিলেন। তারও আগে ভেবেছিলেন অলি-এ-কামেল এনায়েতপুরের পীর। শেষ পর্যন্ত মহান দুই অলি-এ-কামেলের ইচ্ছামতো জায়গায় যমুনা সেতু হওয়ায় দুই পারের মানুষই খুশি। স্বাধীনতার পরপরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যমুনা সেতুর জন্য খুবই চেষ্টা করেছিলেন। হাতে টাকা ছিল না তবু জাপানি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করেছিলেন। ক্যাপ্টেন মনসুর ভাই যোগাযোগমন্ত্রী হলে সেতুর কাজ তরতরিয়ে এগিয়ে চলে। ঘাতকের হাতে নির্মমভাবে নিহত হওয়ায় বঙ্গবন্ধু আর তেমন কিছু করতে পারেননি। সেতুর সব কার্যক্রম বস্তাবন্দী পড়ে থাকে। একসময় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যমুনা সেতুর জন্য আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং তার উৎসাহ-উদ্দীপনায় সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়। এটা এশিয়ার মধ্যে একটা উল্লেখযোগ্য স্থাপনা। এটাকে মাঝেমধ্যে বাঁশের সাঁকো ভাবতে কষ্ট হয়। সেতুতে প্রথম অবস্থায় রেললাইনের কথা ছিল না। পরে যুক্ত করা হয়। কিন্তু খুব একটা সুবিধাজনক হয়নি। সেতুর উত্তর পাশ দিয়ে রেললাইনে কচ্ছপের গতিতে ট্রেন চলে। ৫ কিলোমিটার পার হতে ৩০ মিনিট লাগে। মানে ঘণ্টায় ১০ মাইল। মুক্তিযুদ্ধের সময় কখনোসখনো আমরাও ঘণ্টায় ৫-৬ মাইল পাড়ি দিতাম। বুলেট ট্রেনের জমানায় এও এক আশ্চার্য ঘটনা। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন সাহেবের সঙ্গে সেতুর কাজ চলাকালে একবার গিয়েছিলাম। হেলিকপ্টারে গিয়ে স্পিডবোটে ঘুরে যমুনা সেতু দেখেছিলাম। তখনই আমার মনে হয়েছিল সেতু নির্মাণে যে কলাকৌশল তাতে রোড স্ল্যাবের ভিতর দিয়ে অনায়াসে আরেকটা সেতু করা যেত। শুধু প্রয়োজন হতো একটু আলো-বাতাস যাওয়ার ব্যবস্থা। বঙ্গবন্ধু সেতুর পেটে প্রায় ৪০ ফুট পাশে এপার-ওপার একটি রাস্তা রয়েছে যা একেবারে অকেজো পড়ে আছে। অন্যদিকে রেললাইন উত্তর পাশ দিয়ে না নিয়ে মাঝামাঝি নিলে ট্রেনের গতি স্বাভাবিক রাখতে কোনো অসুবিধা হতো না। উত্তর পাশে মাচার ওপর দিয়ে যেভাবে ট্রেন চলে সেখান দিয়ে বাস-ট্রাক অনায়াসে চলতে পারত। মাঝ দিয়ে রেললাইনের দুই পাশে আড়াই-তিন ফুট দেয়াল তুলে দিলে কোনো অসুবিধা হতো না। কে শোনে কার কথা। আমরা তো আর ইঞ্জিনিয়ার নই। পৃথিবীর নানা দেশের প্রকৌশল জ্ঞান অর্জনের সার্টিফিকেট নেই। তাই আমাদের কথায় কী হবে। বাঁশের সাঁকো বলেছি এ জন্য, বঙ্গবন্ধু সেতুর এপাশ-ওপাশের কান্ডকারখানা দেখলে ভিরমি খেতে হয়। সারা দেশে শোলার পুলের ওপর দিয়ে যেসব গাড়ি আসে তা যমুনা সেতু পার হতে পারে না। বাংলাদেশের সব থেকে শক্তিশালী স্থাপনা সবচাইতে উল্লেখযোগ্য সেতু ৯-১০ মাত্রার ভূমিকম্প হলেও যে সেতুর কোনো ক্ষতি হবে না, সে সেতুর ওপর দিয়ে নির্ধারিত ওজনের ১ টন বেশি হলেও নিতে পারে না। রাজশাহী-পাবনা-দিনাজপুর-রংপুর-বগুড়া, এদিকে চট্টগ্রাম যেখান থেকেই মালবোঝাই ট্রাক আসুক বঙ্গবন্ধু সেতুর পাড়ে এসে স্কেলে উঠিয়ে মাপতে হয়। সেখানে ৫০০ কেজি বেশি হলেও নামিয়ে রেখে অন্য গাড়িতে পার করতে হয়। বঙ্গবন্ধু সেতুর দুই পাড়ে এজন্য বিড়ম্বনার শেষ নেই। কেউ কাঠ, ইট, বালু, রড, সিমেন্ট, পাথর যা কিছুই হোক বেশি হলে অন্য গাড়িতে পারাপার করতে হয়। অথচ যমুনা সেতুর এপার-ওপার শত শত ব্রিজ-কালভার্টের ওপর দিয়ে সে ভারী যানবাহন অনায়াসে ছোটাছুটি করে কোনো ক্ষতি হয় না। সব ক্ষতি যমুনার ওপর বঙ্গবন্ধু সেতুর। এই খোঁড়া যুক্তি মানা যায়? গবাদি পশুর জাত উন্নয়নে পাক ভারত উপমহাদেশে কোন ব্রিটিশ প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পাল করেন? পদ্মা সেতুর ৪০তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো সেতুর ছয় হাজার মিটার অর্থাৎ ছয় কিলোমিটার অবকাঠামো। You can get here more information about bank job preparation bd, job examination and BCS preparation as like General knowledge, Current affairs, Bangla, English, Math, Computer, Science, Abbreviation word, Self Introduction, Job application, Format of CV and etc. মেঘনা সেতু দক্ষিণ ঢাকা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে দেশের প্রধান নদী মেঘনা নদীতে অবস্থিত। সেতুটি ঢাকা … পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুই পাড়ে নদী শাসন হয়েছে কত কিলোমিটার? ওপর দিয়েও তো আরেকটি সড়কপথ প্রায় একই খরচে করা যেতে পারে। ওপরে সড়কপথ করতে যদি স্টিল স্ট্রাকচারগুলোয় সামান্য রদবদল আনতে হয় আনা হবে। আমার তো মনে হয় যে টাকায় রেলসেতু হবে তার থেকে ২০ শতাংশও অতিরিক্ত খরচ করতে হবে না। স্টিল স্ট্রাকচারে ‘ভি’র মতো ওপর নিচে যে জয়েন্ট দেওয়া হয়েছে সেগুলোর মাঝে আরেকটা ‘আই’ বসিয়ে দিলে ওপরে নিচে ওয়েট বেয়ারিং ক্ষমতা বেড়ে যাবে শতগুণ। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আন্তরিক অনুরোধ একটু ভেবে দেখবেন, এক খরচেই যদি দুটি পথ পাওয়া যায় তাহলে কেন দেশের অর্থ নষ্ট করা হবে।, তাই সনির্বন্ধ অনুরোধ, রক্ত দিয়ে যে দেশ স্বাধীন করেছি সেই স্বাধীন দেশে বিজয়ের মাসে সরকারপ্রধান প্রিয় ভগ্নির কাছে বিষয়টি গভীরভাবে ভেবে দেখার আন্তরিক অনুরোধ জানাচ্ছি। একই খরচে যদি আরেকটি সেতু পাওয়া যায় তাহলে আপত্তি কোথায়? A ৪৫৮ টাকা প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | Design, এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।, বিনা খরচে যদি আরেকটি সেতু পাওয়া যায় ক্ষতি কী: বঙ্গবীর, প্রকাশিত: ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গল, ৮ ডিসেম্বর ২০. বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর নির্মান ব্যয় কত? The page is on about tourist who want to make a trip to anywhere of Bangladesh. নিচের তথ্যগুলো দিন তারপর Start Quiz এ চাপ দিয়ে পরীক্ষা শুরু করুন। কেউ একব প্রশ্নঃ বাংলাদেশে কাঁচা ও পাকা মিলিয়ে মোট সড়ক পথের দৈর্ঘ্য কত উত্তরঃ ২, ৪১, ২৮৬ কিলোমিটার (সুত্র অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৫) Job preparation in Bangladesh is one of the most popular job related site in Bangladesh. ঢাকা: ‘পদ্মাসেতু নির্মাণ কাজের সময় কথা উঠেছিল সেতুর দৈর্ঘ্য মাত্র চার কিলোমিটারে নামিয়ে আনতে হবে। বলেছিলাম, সেটা আমি হতে দেব না। যে কারণে পদ্মাসেতু শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়ন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ‘পদ্মা সেতু’ দৃশ্যমান

Gold Bond Pain Relieving Foot Cream Walmart, Maui Moisture Curl Quench Curl Milk, Pandan Extract Where To Buy, Mbr Or Gpt For Dual Boot, Weather In Jamaica In March 2021, Content Management Process Flow, Doll Cake Recipe Step By Step, Cetaphil Fake Vs Original, Fabraea Leaf Spot Treatment,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *